1. live@spotonnews24.com : NEWS TV : NEWS TV
  2. info@www.spotonnews24.com : TV :
শনিবার, ৩০ মে ২০২৬, ০৪:০৪ অপরাহ্ন

রাজনৈতিক প্রতিহিংসার ‘গায়েবি মামলা’: ১০ বছর হয়রানির শিকার বিএনপি নেতা মাহবুব আলম মৃধা

প্রতিনিধি
  • প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১২ মে, ২০২৬
  • ২৮ বার পড়া হয়েছে

রাজনৈতিক প্রতিহিংসার ‘গায়েবি মামলা’: ১০ বছর হয়রানির শিকার বিএনপি নেতা মাহবুব আলম মৃধা

চাঁদপুরের কচুয়ায় রাজনৈতিক প্রতিহিংসা ও ‘গায়েবি মামলা’র অভিযোগে দীর্ঘদিন হয়রানি, গ্রেফতার আতঙ্ক ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব আলম মৃধা। ২০১৭ সালে দায়ের করা একটি চাঁদাবাজি মামলায় তাকে আসামি করা হলেও মামলার বাদী নিজেই জানিয়েছেন, তিনি মাহবুব আলম মৃধাকে চেনেন না এবং তার নামেও কোনো অভিযোগ দেননি।

ভুক্তভোগী সূত্রে জানা যায়, ২০১৭ সালে কচুয়া থানায় দায়ের হওয়া একটি মামলায় মাহবুব আলম মৃধাকে আসামি করা হয়। মামলার বাদী ছিলেন উপজেলার বিতারা ইউনিয়নের সরাইলকান্দি গ্রামের বৃদ্ধ ফজলুল হক। তবে সম্প্রতি মাহবুব আলম মৃধার সঙ্গে দেখা হলে বাদী ফজলুল হক জানান, তিনি জীবনে কখনো মাহবুব আলম মৃধাকে দেখেননি এবং তার বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগও করেননি।

ঘটনার এক পর্যায়ে মাহবুব আলম মৃধা বাদীকে জড়িয়ে ধরে বলেন,

“আপনি আমাকে মিথ্যা মামলা দিয়ে আমিসহ আমার পরিবারকে অনেক নির্যাতন করেছেন। তারপরও আমার পক্ষ থেকে আপনার কোনো ক্ষতি হবে না।”

এ সময় উপস্থিত স্থানীয় গ্রামবাসী মাহবুব আলম মৃধার আচরণে মুগ্ধ হয়ে তার প্রতি সন্তোষ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

 

মাহবুব আলম মৃধা অভিযোগ করে বলেন, তৎকালীন কচুয়া থানার ওসি ইকবালের নির্দেশে পুলিশ তার বাড়িতে অভিযান চালায়, তাকে না পেয়ে পরিবারের সদস্যদের ভয়ভীতি ও হুমকি প্রদান করে। এমনকি রাজনৈতিক প্রতিহিংসার জেরে তাকে “ক্রসফায়ার” দেয়ার হুমকিও দেওয়া হয়েছিল বলে দাবি করেন তিনি।

 

অন্যদিকে মামলার বাদী ফজলুল হক সাংবাদিকদের জানান,“২০১৭ সালে কিছু লোক আমার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে সমস্যা সৃষ্টি করেছিল। পরে আমি থানায় যাই। পুলিশ নিজেরাই এজাহার লিখে আমার স্বাক্ষর নেয়। মাহবুব আলম মৃধা নামে কাউকে আমি আসামি করিনি। আজ প্রথম তাকে দেখলাম।”

 

মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, যাদের আসামি করা হয়েছে তাদের অনেকেই ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন না। এমনকি কয়েকজন ওই দিন এলাকায়ও ছিলেন না বলে দাবি করা হয়েছে। মামলায় ৮ জন এজাহারভুক্ত আসামির পাশাপাশি আরও অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদেরও আসামি করা হয়। মামলায় পুলিশের সদস্যরাও সাক্ষী হিসেবে অন্তর্ভুক্ত ছিলেন।

স্থানীয়দের দাবি, বিগত সরকারের সময় রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে অনেক নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে এ ধরনের গায়েবি মামলা দায়ের করা হয়েছিল, যার ফলে বহু পরিবার দীর্ঘদিন হয়রানি ও আতঙ্কের মধ্যে জীব

নযাপন করেছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© www.spotonnews24.com
ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট